নীতিমালা

দক্ষিণ-পূর্ব বক্সনগর সমাজ কল্যান সংঘ

সংবিধা


প্রথম ভাগ/অধ্যায়

ভূমিকা : সৃষ্টিকর্তার শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ সুষ্ঠ সুন্দর জীবন যাপনের নিমিত্ত নিয়ম নীতির মাধ্যমে সমাজবদ্ব ভাবে বাস করার প্রত্যাশী । এ জন্য প্রথমেই প্রয়োজন সংগঠনের। সে লক্ষ্যে কতিপয় সমমনা মিলে নিচে বর্ণিত নীতিমালার ভিত্তিতে একটা সংগঠন প্রতিষ্ঠার সিদ্বান্ত গ্রহণ করে,যাহার মাধ্যমে নিজের , সমাজের ও দেশের কল্যাণ এবং উন্নতি সাধন সম্ভব হবে বলে আস্থাশীল।

ধারা-১ : প্রতিষ্ঠানের নাম
‘দক্ষিণ-পূর্ব বক্সনগর সমাজকল্যাণ সংঘ’।
ঝড়ঁঃয-ঊধংঃ ইড়ীহধমধৎ ঝড়পরধষ ডবষভধৎব অংংড়পরধঃরড়হ

ধারা-২ : প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা আওতাভুক্ত এলাকা ও কার্যক্রম এলাকা
০১. প্রতিষ্ঠানের বর্তমান ঠিকানা
দক্ষিণ-পূর্ব বক্সনগর, সারুলিয়া, ডেমরা, ঢাকা-১৩৬১।
০২. প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত এলাকা : কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঢাকা মহানগরীতে থাকবে এবং তা যে কোনো স্থানে স্থানান্তর করা যাবে। তবে প্রকল্পভিত্তিক কার্যালয় প্রকল্প এলাকায় থাকবে এবং তা শহর কিংবা অন্য এলাকায় হতে পারবে। প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা পরিবর্তন হলে নিবন্ধণ কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গুলোকে ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে অবহিত করা হবে।
০৩. প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম এলাকা
বর্তমানে ঢাকা জেলা, পরবর্তী সময়ে নিবন্ধণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাংলাদেশ জুড়ে প্রতিষ্ঠানের কার্যএলাকা স¤প্রসারণ করা যাবে।
৩.১ প্রতিষ্ঠানের শ্লোগান :
”সকলের কল্যাণে আমরা সচেষ্ট”
৩.২ প্রতিষ্ঠানের আদর্শ
‘ইমান, একতা, শৃঙ্খলা’
৩.৩ প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত আদর্শ
ক. সব ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাÐে সাম্য ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা।
খ. বহুমূখী সামাজিক কার্যক্রম বিশেষ করে সমাজের ‘অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা’ এসব মৌলিক বিষয়ে পশ্চাৎপদ ও স্বল্পোন্নত এলাকায় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের মাধ্যমে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করা। স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও আর্থিক সেবাদানে উৎসাহ দেয়া।
গ. আমাদের উদ্দেশ্য হলো, সুনাম¬ ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে নেতৃস্থানীয় “সামাজিক প্রতিষ্ঠান” বিবেচনায় রেখে সর্বোৎকৃষ্ট “সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ে” ফলাফল অর্জনে অব্যহত প্রচেষ্টা চালানো।
ঘ. আমাদের উদ্দেশ্য হলো, সামাজিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায় পরায়ণতার ভিত্তিতে আধুনিক সামাজিক কৌশল প্রতিষ্ঠা করা ও বজায় রাখা, বাংলাদেশ সামাজিক নীতিমালা অনুসারে সামাজিক ব্যবস্থায় সুষ্ঠুতা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং জনগনের কল্যাণে কর্মরত আত্মনিবেদিত পেশাজীবী সহ শক্তিশালী ও দক্ষ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।
৩.৪ প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকার
কল্যাণমূখী সমাজব্যবস্থা চালু করে একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতিকে তৈরি করা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে আল্লাহ্ভীরু সৎ, দক্ষ ও যথাযোগ্য দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়াই আমাদের দৃঢ় অঙ্গিকার।

৩.৫ প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধ
ক. সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস
খ. ইসলামী শরীয়াহর পরিপূর্ণ পালন
গ. সততা, নিষ্ঠা ও নৈতিকতা
ঘ. কল্যাণমুখী সামাজিক ব্যবস্থা
ঙ. সুষম ও ন্যায়ভিত্তিক বণ্টন
চ. পরিবেশ সচেতনতা
ছ. বিশেষায়িত সেবা
জ. ক্রমপরিবর্তনশীল প্রযুক্তি প্রয়োগ
ঝ. দায়িত্বের যথাযথ বণ্টন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
৩.৬ প্রতিষ্ঠানের নীতিমান
ক. সততা
খ. পৃথিবীর মানবসম্পদের প্রতিস্থাপন নীতি
গ. কর্মনিষ্ঠা
ঘ. ধার্মিকতা/বিশ্বস্ততা
ঙ. ন্যায়নীতি ও কাজের যথার্থতা মূল্যায়ন
চ. সব কর্মকান্ডে আল্লাহভীতি
ছ. সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা
জ. বিশ্বস্ততা
ঝ. আইনানুগামিতা
ঞ. উদ্দেশ্যানুসারিতা
ট. পেশাগত উপযোগিতা এবং পরিশ্রমকাতরতা
ঠ. বিশ্বাসভিত্তিক কর্মকন্ড পরিচালন
ড. পেশাগত আচরণ, সুবিচার বাস্তবায়ন ও কারিগরী মান সংরক্ষণ

ধারা-৪ : প্রতীক, পতাকা, সীলমোহর ও প্যাড
ধারা-৪.১ : প্রতীক/মনোগ্রাম
ধারা-৪.২ : পতাকা
ধারা-৪.৩ : সীলমোহর ও প্যাড : প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মনোগ্রাম সম্বলিত প্যাড থাকবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের সব সাদস্য নিজ নিজ পদবী সম্বলিত সীল মোহর প্যাড ব্যবহার করতে পারবেন।

দ্বিতীয় অধ্যায়

ধারা-৫ : প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি/গঠন, বিস্তারিত লক্ষ্য ও কৌশলগত উদ্দেশ্য, সাধারণ উদ্দেশ্য, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য, আয় উৎপাদন মূলক কর্মসূচী

ধারা-৫.১ : প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি/গঠন
ঢাকা মহানগরীসহ দেশ/বিদেশের বিভিন্ন স্থানে বসবাসকারী কিছু শিক্ষিত সমাজসেবী ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে এলাকাভিত্তিক অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্যই এই প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি।
ধারা-৫.২ : প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত লক্ষ্য ও কৌশলগত উদ্দেশ্য
(সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিচে উল্লিখিত বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা হবে)
এই প্রতিষ্ঠান একটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী অলাভজনক ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। এক বা একাধিক বিষয়ের বা বিভিন্ন কার্যক্রমের সমন্বয়ে সমাজকল্যাণমূলক ও মানবহিতৈষী প্রতিষ্ঠান, একতা, শৃঙ্খলা ও সহযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্ঠির মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী কর্ম উদ্যোগের মাধ্যমে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বেশেষে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের জন্য স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ অন্যন্য উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা। এক কথায়, বাংলাদেশের গ্রাম ও শহর অঞ্চলের অবহেলিত, অনগ্রসর, দরিদ্র ও ভূমিহীন স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নকল্পে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে উন্নয়নমূলক কর্মকাÐে অংশ নেয়াই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
৫.৩ : সাধারণ উদ্দেশ্য
ক) ইসলামী আদর্শের ব্যাপক প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমে সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা
খ) গরীব দুখীদের সাহায্য করা যা হবে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে।
গ. প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য নির্বাহী পরিষদের মাধ্যমে সক্ষমতা ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষত, এসব উদ্দ্যোগের মধ্যে থাকবে: প্রচারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবেশ সম্বন্ধে শিক্ষা, প্রকাশনা, সেমিনার, কর্মশালা, বৈজ্ঞানিক ও নীতিনির্ধারণী গবেষণা ও জাতীয় ক্ষেত্রে অনুসরণ ও প্রয়োগকরা সম্ভব- সেই রকম বিবিধ আদর্শ ও শিক্ষণীয় কর্মসূচী, তাছাড়া শিক্ষা, পরিবেশ, আবাসন, দারিদ্র দূর করা ও জীবনমান উন্নয়নসংশ্লিষ্ট বিষয় ও কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত করা থাকবে।

৫.৪ : সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য
সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের পদক্ষেপ হিসেবে এ প্রতিষ্ঠান অবিলম্বে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৎপর হবে। সেগুলো হলো-

ধর্মীয় দিবস সমূহ তাৎপর্যের সাথে পালন করা।
যেকোন প্রকার ক্ষতিকর কর্মকান্ড হতে সমাজকে রক্ষার প্রয়াস চালানো।
সমাজের দুঃস্থ ও অসহায় ব্যক্তিবর্গের উন্নয়নে সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা।
সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সমাজকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে উৎসাহিত ও জড়িত করা।

১. সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা যোগান, মাতৃমঙ্গল ও শিশুকল্যাণ করা।
স্বাস্থ্যশিক্ষা, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্যসহ খাদ্য, পুষ্টি ও সুষম পরিবেশের নিবিড় সম্পর্ক সম্বন্ধে জনগণকে সচেতন করা। এ ব্যাপারে নীতি নির্ধারকদের সজ্ঞান ও সচেতন করা এবং এই আলোচ্য খাদ্য, পুষ্টি ও সুস্থ্য পরিবেশের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য প্রচার ও কর্মসূচী চালু করা।
২. প্রতিটি নাগরিককে তার স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার সাংবিধানিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলা এবং সে অধিকার বাস্তবায়নের জন্য কাজ করা, সে লক্ষে বাংলাদেশের নাগরিকদের আচরণ ও কর্মকাÐ সম্পর্কে আরো দায়িত্বশীল করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া।
৩. স্বাস্থ্যসেবায় ভোক্তা বা ক্রেতার স্বার্থ রক্ষার্থে নীতি নির্ধারণে সরকারকে পরামর্শ দেয়া এবং গুণগত ও মাননিয়ন্ত্রণ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া। উন্নত দেশের মতো খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রে চালু করার ব্যাপারে সরকারের সহযোগিতায় উদ্যোগ নেয়া।
৪. স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকদের দায়িত্ব, কর্তব্য, সেবানীতি ও অন্যান্য বিষয়ে অবহিত করা, এবং প্রয়োজনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। সেবানীতি লঙ্ঘনকারীদের চিহ্নিত করে তাদের শোধরাবার চেষ্টা করা।
৫. রাষ্ট্রের অনুভূত চাহিদার (ঋবষঃ ঘববফ) ভিত্তিতে সকলের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করা।
৬. এলাকার যেকারো ব্যক্তিগত/পারিবারিক আকষ্মিক বিপর্যয়ে সহযোগিতা করা।
৭. গণশিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা, কারিগরী শিক্ষা, সাধারণ স্বাস্থ্য পরিচর্যা, স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানি, পুষ্টি এবং ন্যায়পরায়ণতা সৃষ্টির জন্য নৈতিক শিক্ষা চালু করা।
৮. দুই ঈদ ও প্রতিটি উৎসবে দুস্থদের মাঝে খাবার ও পোষাক সামগ্রী বিতরণ করা।
৯. ধূমপান বিরোধী ও মাদকাসক্ত এবং ঘাতক রোগ ব্যাধি সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা করা এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে প্রতিরোধ করা।
মাদকাসক্ত ও ধূমপান ইত্যাদি থেকে বিরত থাকার জন্য বিভিন্ন সেমিনারের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।
১০. দুঃস্থ, অসহায়, দরিদ্র জনগণের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানসহ মৌলিক চাহিদা পূরণের চেষ্টা করা।
১১. দেশের শিশুদের শোষণ, নির্যাতন, অবহেলা থেকে রক্ষা করা এবং তাদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।
১২. পরিত্যক্ত ও অনাথ শিশুদের লালন-পালন।
অসহায় এতিম শিশুদের জন্য একটি বাসভবন গড়ে তোলা। তাতে তাঁদের সুস্থ্য মানসিক, শারীরিক বিকাশের ব্যবস্থা করা। তাঁদের প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা রাখা। যোগ্য নাগরিক গড়ে তুলে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
১৩. শিশুশ্রম রোধ করে শিশুদের বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার মাধ্যমে পুনর্বাসনের জন্যও বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন।
১৪. অসহায় ও দরিদ্র শিশু, কিশোর-কিশোরী, এতিম, প্রবীণ, বেকার, পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত এবং প্রতিবন্ধীদের দৈহিক, মানসিক উন্নতি বিকাশের জন্য ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক এবং সেবা, কল্যাণ ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম প্রবর্তন করা।
১৫. বুদ্ধি, দৈহিক, শ্রবণ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন, চিকিৎসা, শিক্ষা, দক্ষতা বাড়ানো ও পুনর্বাসন প্রচারণার ব্যবস্থা করা।
১৬. এলাকাভিত্তিক জনগণের জ্ঞানের পরিধি স¤প্রসারণের জন্য উন্মুক্ত পাঠাগার স্থাপন করা।
১৭. মননশীল সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চা ও জ্ঞানের পরিধি স¤প্রসারণের উদ্দেশ্যে প্রকল্প চালু।
১৮. সমাজবিরোধী কার্যকলাপ থেকে জনগণকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে চিত্তবিনোদনের কর্মসূচী চালু করা।
১৯. প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্রে রচনা, আবৃত্তি, সঙ্গীত, বিতর্ক, কুইজ, খেলাধুলা ইত্যাদির প্রশিক্ষণ সুযোগ সৃষ্টি করা।
২০. শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিভাবানদের সনদপত্র ও পদক বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা।
২১. ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান, বাসস্থান ও সহায়তা দেয়া ও তাদের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।
২২. অবহেলিত, নির্যাতিত, এসিডদগ্ধ, ক্ষতিগ্রস্থ নারীদের চিকিৎসা ও জীবন-যাপনের মানোন্নয়ন ও নারীসমাজের উন্নতির জন্য বিভিন্ন ধরনের নারী কল্যাণমূলক কার্যক্রম চালু করা।
২৩. যুবসমাজের উন্নয়নের জন্য যুবকল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা।
২৪. কারামুক্ত কয়েদী ও মাদকাসক্তদের সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা ও তাদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের কল্যাণ ধর্মী সেবা দেয়ার প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরণের প্রকল্প চালু করা।
২৫. যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও চিকিৎসা সেবা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।
২৬. পরিবেশ দূষণরোধ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের বিশেষ কর্মসূচী চালু করা।
২৭. সংস্থা ও সংস্থার প্রকল্পের প্রয়োজনে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ভাড়ায়, লিজ, ক্রয় ও দানসূত্রে সংস্থার নামে গ্রহণ করার ব্যবস্থা করা।
২৮. বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রচার ও প্রকাশনার (ওহভড়ৎসধঃরড়হ ঊফঁপধঃরড়হ ধহফ ঈড়সসঁহরপধঃরড়হ (ওঊঈ) ব্যবস্থা করা।
২৯. প্রতিষ্ঠানের মুখপত্র হিসেবে সাময়িকী, বুলেটিন, স্মরণিকা, ক্রোড়পত্র ইত্যাদি প্রকাশ করা।
৩০. আর্থ-সামাজিক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পর্কিত জরিপ ও গবেষণামূলক প্রকল্প চালু করা।
৩১. সমাজ সচেতনতা ও সামাজিক কর্মকাÐে অংশ নেয়ার জন্য বিভিন্ন সভা, সেমিনার, প্রদর্শনী, কর্মশালার আয়োজন।
৩২. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কারের প্রকল্প চালু ও বাস্তবায়ন।
৩৩. স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচীর আয়োজন ও সমাজের সবাইকে রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করণ।
৩৪. পরিচয়হীন ও নিঃস্ব মৃত ব্যক্তিদের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা।
৩৫. সঠিকভাবে সংস্থার কর্মকাÐ পরিচালনা ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বিশেষ সফলতার জন্য কর্মীদিগকে পুরস্কার, পেশাগত বৃত্তি, ফেলোশিপ এবং প্রশিক্ষণ দেয়া।
৩৬. বাংলাদেশের যে কোন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি/পুরষ্কার দেয়ার ব্যবস্থা করা ও দেশে অনেক গুণী ব্যক্তি রয়েছে, তাদের পুরস্কারের ব্যবস্থা করা।
৩৭. রাষ্ট্র ঘোষিত সমাজকল্যাণমূলক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা।
৩৮. সর্বোপরি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে কর্মপরিচালনা করা।
৫.৫ : আয় ও উৎপাদনমূলক কর্মসূচী
মৎস্য চাষ, হাঁস মুরগী পালন, গবাদি পশু পালন, ডেইরি ফার্ম, ফল-ফুল ও মূল্যবান গাছপালার নার্সারি, কৃষিনির্ভর ক্ষুদ্রশিল্প, সাধারণ ক্ষুদ্রশিল্প ও কুটির শিল্প, সেলাই, ব্লক, বাটিক, ইত্যাদি প্রকল্প গ্রামীণ ও শহুরে জনগোষ্ঠিভিত্তিক সমবায়ের মাধ্যমে পদক্ষেপ নেয়া।

তৃতীয় অধ্যায়

ধারা-৬ : প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র, সদস্যপদ লাভের যোগ্যতা ও পদ্ধতি

ধারা ৬ : (ক) প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র
এই প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র বলতে বোঝাবে এমন কতগুলো নিয়মকানুন, যার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া চালু রাখা যাবে। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানের গঠন প্রণালী, আদর্শ ও উদ্দেশ্যাবলী পরিচালিত ও বাস্তবায়িত হবে। গঠনতন্ত্রের নিয়মকানুনগুলো প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের সদস্য, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

৬ (খ) : প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক সদস্যপদ লাভের যোগ্যতা
যে কোনো লোক মানসিকভাবে সুস্থ্য প্রাপ্তবয়স্ক, সংস্থার প্রতি আস্থাবান, উৎসাহী সমাজকর্মী, সৃজনশীল ও উন্নয়ন কর্মকাÐে উৎসাহী এবং পারদর্শী পুরুষ ও মহিলা এ প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহের সাথে একমত পোষণকারী বাস্তব জীবনে সৎ চরিত্রবান, নৈতিক গুণ সম্পন্ন, সুস্থ্য মস্তিস্ক যে কোনো ব্যাপারে বিচার বিশ্লেষণ ভালমন্দ প্রমাণে সিদ্ধান্ত দেয়ার মতো বুদ্ধিসম্পন্ন, ঝুঁকি নেওয়ার মতো সাহসী, কাজের ঐকান্তিকতা, নিষ্ঠাবান ব্যক্তি ইচ্ছা করলে সভাপতির বরাবর সদস্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

৬ (গ) : প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক সদস্য হওয়ার পদ্ধতি এবং নিয়মাবলী
 এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে সাধারণ পরিষদের কমপক্ষে ২(দুই) জন সদস্যের সুপারিশসহ সংস্থার নির্ধারিত আবেদনপত্রের মাধ্যমে সভাপতির বরাবর আবেদন করতে হবে।
 প্রাথমিক সদস্যদের ভর্তি ফি ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা পরিশোধ করতে হবে।
 প্রাথমিক সদস্যদের থেকে যারা এ প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সদস্য হতে ইচ্ছুক, তাদের সাধারণ সদস্য ফরম চার্জ অতিরিক্ত ১০০ (একশত) টাকা এবং মাসিক চাঁদা ৩০ (ত্রিশ) টাকা হিসেবে পরিশোধ করতে হবে।
 প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সদস্য হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিবর্গের বয়স ১৪ বছরের কম হবে না। এবং সমমনা ও সৃজনশীল হতে হবে।
 প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক আবেদনপত্র নির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন, এবং অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্য খাতায় লিপিবদ্ধ করবেন।
 নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দাতা/মহীল/উপদেষ্টা/প্রাথমিক সদস্য/সাধারণ সদস্য পদের আবেদন পত্র মঞ্জুর/খারিজ হবে।

ধারা-৭ : সদস্যদের শ্রেণীবিন্যাস এবং অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ লাভ

(ক) প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের শ্রেণী বিন্যাস :
এই প্রতিষ্ঠানে ৬(ছয়) ধরণের সদস্য থাকবে। যথা:
০১. প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
০২. প্রাথমিক সদস্য
০৩. সাধারণ সদস্য
০৪. দাতা সদস্য
০৫. আজীবন সদস্য
০৬. উপদেষ্টা সদস্য

০১. প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
যাদের সার্বিক উদ্যোগে ও স্বাক্ষর দানে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তারা সবাই প্রতিষ্ঠাতাসদস্য বলে গণ্য হবেন। এসব সদস্য সংস্থার সাধারণ সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন এবং প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত নিজ নিজ মতামত প্রকাশ করবেন ও ভোটাধিকারসহ নির্বাচনে অংশ্র নিতে পারবেন। সব প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন।

০২. প্রাথমিক সদস্য
যারা এই প্রতিষ্ঠানের আদর্শ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে ঐক্যমত পোষণ করেন এ প্রতিষ্ঠানের কর্মসূচি ও কর্ম পদ্ধতির সাথে সচেতনভাবে একমত হন, প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্র“তি দেন, তাহলে তিনি এই সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য হতে পারবেন। আর এই শ্রেণীর সদস্য শুধু প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত আবেদন পত্র বাবদ ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা দিয়ে প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করতে পারবেন।
প্রাথমিক সদস্যরা শুধুমাত্র প্রাথমিকসদস্য সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এবং ভোট দিতে কিংবা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তবে নির্ধারিত পদ্ধতিতে যে কোনো মতামত দিতে পারবেন।

০৩. সাধারণ সদস্য
সাধারণ সদস্য প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের কাজে জড়িত থাকবেন। সাধারণ সদস্যরা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সভায় উপস্থিত থাকবেন এবং প্রতিষ্ঠান বিষয়ে নিজ নিজ মতামত নির্ধারিত উপায়ে পেশ করতে পারবেন। সাধারণ সদস্যরা ভোট দিতে, নির্বাচনে অংশ নিতে, গণভোট দিতে এবং নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এবং সভাপতির নির্দেশে যে কোনো কাজের দায়িত্ব পালন করবেন। সর্বোপরি সাধারণ সদস্যদের যোগ্যতা এ সংবিধানের ধারা-০৬ মোতাবেক কার্যকর হবে।

০৪. দাতা সদস্য
যিনি সর্ব নিম্ন ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা বা সমপরিমাণ অর্থমূল্যের কোনো বস্তু প্রতিষ্ঠানে দান করবেন, তিনি এ প্রতিষ্ঠানের দাতাসদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। এই শ্রেণীর সদস্যবর্গ প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন, এবং প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মতামত পেশ করতে পারবেন। কিন্তু ভোট দিতে কিংবা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তবে দাতাসদস্যদের মেয়াদ কোনো ক্রমেই ৭ বছরের চেয়ে বেশি হবে না।

০৫. আজীবন সদস্য
যিনি কমপক্ষে ১৫,০০০ (পনের হাজার) টাকা বা সমপরিমাণ অর্থমূল্যের কোনো বস্তু প্রতিষ্ঠানে দান করবেন, তিনি এ প্রতিষ্ঠানের আজীবন সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। এই শ্রেণীর সদস্যরা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। এবং প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মতামত পেশ করতে পারবেন। কিন্তু ভোট দিতে কিংবা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

০৬. উপদেষ্টা সদস্য
সমাজের গণ্যমান্য বা বিশেষ ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন উপদেশমূলক পরামর্শ দেবেন, কিন্তু কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। সাধারণ সদস্য হিসেবে না থাকলে, উপদেষ্টা পরিষদের কোনো সদস্য ভোট দিতে কিংবা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

(খ) অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ লাভ
যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বা এনজিও এ প্রতিষ্ঠানের সদস্যক্রম ২-৬ পর্যন্ত যে কোনো একটি কিংবা সব শ্রেণীর সদস্যপদ লাভ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং এ প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত আবেদন পত্রে আবেদন করে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দেন তাহলে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের মনোনীত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানের সদস্য হতে পারবেন।

যদি এই প্রতিষ্ঠান অন্য কোনো নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সদস্য হওয়ার প্রয়োজন মনে করেন, তবে এই প্রতিষ্ঠান কিংবা প্রতিষ্ঠানের মনোনীত ব্যক্তি ঐ প্রতিষ্ঠানের নিয়মানুযায়ী সহযোগী হিসেবে কাজ করতে পারবেন। তবে তা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংবিধান অনুযায়ী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হতে হবে।

ধারা-৮ সদস্যদের অধিকার ও সুবিধা :
এ প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের অধিকার ও সুবিধাসমূহ
এ সংবিধানের ধারা ৭ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হবে।

ধারা-৯ : প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ বাতিল/পদচ্যুতি:
 যে কোন সদস্যের সদস্যপদ নিম্নলিখিত কারণে বাতিল হয়ে যাবে :
০১. যদি কোন সদস্য পদত্যাগ করেন।
০২. যদি মানসিক ভারসাম্য হারান।
০৩. যদি কোন সদস্য পর পর তিনটি সাধারণ সভায় কোন যুক্তিসঙ্গত আগাম কারণ দর্শানো ছাড়া অনুপস্থিত বা প্রতিষ্ঠানে নিস্ক্রিয় বা অক্ষম হয়ে পড়েন।
০৪. যদি সংস্থার স্বার্থের পরিপন্থী কোন কাজ করেন বা তার স্বভাব,আচরণ প্রতিষ্ঠানের পরিপন্থী হয় অথবা তহবিল তসরূপ করেন।
০৫. যদি পর পর তিন মাস মাসিক চাঁদা না দেন।
০৬. মৃত্যু অথবা মস্তিস্কবিকৃতি ঘটলে অথবা অর্থিক অসংগতি দেখা দিলে অথবা আদালতে ঘোষিত সাজা পেলে।
০৭. সদস্যপদ লাভের শর্তাবলীর নিরিখে কার্যনির্বাহী পরিষদ যার সম্পর্কে এই প্রতিষ্ঠানের সদস্য থাকার যোগ্য নন বলে সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি সদস্যপদ হারাবেন।
০৮. সভাপতি যদি স্বেচ্ছায় সংবিধান লংঘন করেন, অথবা তার কার্যক্রমে সংগঠনের ক্ষতি হবার আশঙ্কা দেখা দেয়, তাহলে তাকে পদচ্যুত করা যাবে।
০৯. যদি নির্বাহী পরিষেদের বেশির ভাগ সদস্য সভাপতির প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব পাস করেন, তাহলে এক মাসের মধ্যে পূর্ণ বিষয়টি সাধারণ সদস্যদের কাছে পেশ করতে হবে। বেশির ভাগ সাধারণ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলে সভাপতি পদচ্যুত হবেন। বেশির ভাগ সাধারণ সদস্য সভাপতির সমর্থনে ভোট দিলে নির্বাহী পরিষদ পদচ্যুত হবেন। এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
১০. সাধারণ সদস্যদের মধ্যে সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করতে হলে এ প্রস্তাবের পক্ষে প্রমাণাদিসহ সদস্যদের এক তৃতীয়াংশের স্বাক্ষর নিয়ে লিখিতভাবে নির্বাহী পরিষদে তা পেশ করতে হবে। এর পর অনাস্থা প্রস্তাবটি এক মাসের মধ্যে নির্বাহী পরিষদের অধিবেশনে পেশ করতে হবে। নির্বাহী পরিষদের বেশির ভাগ সদস্য সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবটি পাস করলে এক মাসের মধ্যেই পূর্ব বিষয়টি সাধারণ সদস্যদের কাছে পেশ করতে হবে। বেশির ভাগ সাধারণ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলে সভাপতি পদচ্যুত হবেন। বেশির ভাগ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের বিরূদ্ধে ভোট দিলে নির্বাহী পরিষদ পদচ্যুত হবেন। এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
১১. যদি সভাপতি নির্বাহী পরিষদের অথবা নির্বাহী পরিষদের কোন নির্বাচিত সদস্যের রদবদল করা প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে তিনি প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সদস্যদের মতামত নেবেন। যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ সদস্য তার মতের পক্ষে রায় দেন, তাহলে এই নির্বাচিত সদস্য অথবা নির্বাহী পরিষদ পদচ্যুত হবেন। কিন্তু যদি নির্বাহী পরিষদের সমষ্টিগত পদচ্যতির ব্যাপারে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য সভাপতির মতের বিরোধিতা করেন, তাহলে এক মাসের মধ্যে নির্বাহী পরিষদের অধিবেশন আহŸান করে সভাপতি অবশ্যই পদত্যাগপত্র দাখিল করবেন।
১২. নির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য তখনই তার সদস্যপদ হারাবেন, যখন তিনি প্রতিষ্ঠানের সদস্য না থাকেন, অথবা উপযুক্ত কারণ ছাড়া নির্বহী পরিষদের অধিবেশনে পর পর দু’বার অনুপস্থিত না থাকেন অথবা নির্বাহী পরিষদের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং সভাপতি তা মঞ্জুর করেন অথবা যারা তাকে নির্বাচিত বা মানোনীত করেছেন, তাদের বেশির ভাগ যদি তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেন।
১৩. সভাপতি প্রয়োজন বোধে যে কোন শাখাকে ভেঙে দিতে বা বরখাস্ত করতে পারবেন। কিন্তু কোন শাখাকে সম্পূর্ণ ভেঙে দিতে হলে তাকে নির্বাহী পরিষদের পরামর্শ নিতে হবে।

ধারা-১০ : শূন্য পদ পূরণ, পদ পুনর্বহাল
ধারা-১০.১ :
কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্যপদ শূন্য হলে সাধারণ পরিষদের সভায় সিদ্ধান্তক্রমে ঐ শূন্য পদ পূরণ করা হবে।
ধারা-১০.২ : সদস্যপদ পুনঃবহাল
যে কারণে সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হয়েছে, তাকে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে সদস্যপদ পুনর্বহালের জন্য ৫০০ (পাঁচ) টাকা ফি দিয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি বরাবর আবেদন সহ ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা ষ্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা জমা দিতে হবে। পরে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতির বিবেচনা ক্রমে সদস্যপদ পুনর্বহাল করা যেতে পারে।

চতুর্থ অধ্যায়

ধারা-১১ : সাংগঠনিক কাঠামো
এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য ৩ (তিন) টি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বা পরিষদ থাকবে :
০১. সাধারণ পরিষদ ।
০২. উপদেষ্টা পরিষদ।
০৩. কার্যনির্বাহী পরিষদ।

১১.১. (খ) : সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
০১. প্রতিষ্ঠানের সব ক্ষমতা সাধরণ পরিষদের ওপর ন্যস্ত থাকবে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সাধারণ পরিষদ যে কোন বৈধ সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
০২. প্রতিষ্ঠানের নিযুক্ত বা মনোনীত কর্মী পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্যনির্বহী পরিষদের বা অন্যান্য সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। কিন্তু তাদের কোন ভোটাধিকার থাকবে না।
০৩. এই প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনের ১২ (বার) মাসের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

১১.১ (গ) : সাধারণ সভার কার্যক্রম
০১. নাম স্বাক্ষরের মাধ্যমে উপস্থিতি নিরুপন করা।
০২. গত সভার কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন করা।
০৩. সব ধরনের রিপোর্ট পেশ ও আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া ।
০৪. উপবিধি সংশোধন (যদি থাকে)
০৫. মূলতবী প্রস্তাব/বিবিধ।

১১.১. (ঘ) : সভাপতিত্ব
যে কোনো সভায় সভাপতি ও সহসভাপতি অনুপস্থিত থাকলে বা সভাপতিত্ব করতে অপারগ হলে উপাস্থত সদস্যদের একজনকে প্রস্তাব ও সমর্থনের মাধ্যমে সভাপতিত্ব করার ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেয়া যাবে।

১১.১ : সাধারণ পরিষদ গঠন
এই পরিষদ প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সদস্যের মাধ্যমে গঠিত হবে। এই পরিষদের সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বা গোপনে বা মনোনয়নের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে।

১১.২ : উপদেষ্টা পরিষদ
ক. দেশের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের বা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ২০ (বিশ) সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হবে। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে উপদেশ দেবেন।
খ. উপদেষ্টা পরিষদের মেয়াদ ২ (দুই) বছর। কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনে এমন যে কোনো বা সব উপদেষ্টা পরিষদের মেয়াদ, দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারিত কার্যক্রমের মেয়াদ শেষের আগেই বিলোপ করতে পারবেন।
গ. প্রতিষ্ঠানের দাতাসদস্য এবং আজীবন সদস্যরা ও প্রয়োজনানুসারে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হতে পারবেন।
ঘ. উপদেষ্টা পরিষদে একজন চেয়ারম্যান, তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান, একজন উপদেষ্টা পরিষদ সচিব এবং বাকিরা বিভিন্ন শাখার উপদেষ্টা থাকবেন।
১১.৩ : উপদেষ্টা পরিষদের মধ্যে যারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে থাকবেন, (জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নয়)
০১. প্রতিনিধি, মাননীয় সংসদ সদস্য।
০২. প্রতিনিধি, জেলা প্রশাসক।
০৩. প্রতিনিধি, (থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা), বাংলাদেশ পুলিশ।
০৪. প্রতিনিধি, ইমাম, আলেম, (ধর্মানুযায়ী)।
০৫. প্রতিনিধি, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স।
০৬. প্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যন।
০৭. প্রতিনিধি, প্রধান নির্বাহী, জেলা পরিষদ।
০৮. প্রতিনিধি, সিভিল সার্জন।
০৯. প্রতিনিধি, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
১০. প্রতিনিধি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
১১. প্রতিনিধি, অধ্যাপক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
১২. প্রতিনিধি, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট /জর্জ কোট
১৩. প্রতিনিধি, জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মর্কতা/জেলা প্রকৌশলী, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা/ জেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।
১৪. প্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য।
১৫. প্রতিনিধি, চিকিৎসক, ঢামেক, বিএসএমএমইউ।
১৬. প্রতিনিধি, বিদ্যুৎ, তিতাস গ্যাস, বিটিসিএল, ওয়াসা ।
১৭. প্রতিনিধি, প্রকৌশলী।
১৮. প্রতিনিধি, প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, সুপার।
১৯. প্রতিনিধি, সভাপতি / পরিচালক / চেয়ারম্যান সোসাইটি / পাঠাগার / প্রতিষ্ঠান / এমএলএম / সমিতি
২০. দেশের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
১১.৪ : কার্যনির্বাহী পরিষদ
এই প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রতি ১০ (দশ) জনে একজন হারে এবং অবশিষ্ট সংখ্যার জন্য একজন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদ পাঁচ বছরের জন্য গঠিত হবে। এবং সভাপতি প্রয়োজন বোধ করলে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের এক তৃতীয়াংশের বেশি হবে না। এমন সংখ্যক সদস্যকে এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে অনূর্ধ্ব পাঁচ জন কে কার্যনির্বাহী পরিষদের পরামর্শক্রমে পরিষদের অন্তর্ভূক্ত করতে পারবেন। সভাপতি কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি থাকবেন এবং সেক্রেটারি জেনারেল পদাধিকার বলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হবেন।
১১. ৫ : প্রশাসনিক ব্যবস্থায় কার্যনির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
০১. প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় খরচের অনুমোদন করা।
০২. বিশেষ কর্ম সম্পাদনে উপ-কমিটি গঠন করা।
০৩. সভা করার দিন, তারিখ, সময়, স্থান এবং অ্যাজেন্ডা নির্ধারণ করা।
০৪. প্রতিষ্ঠানের সব হিসার-নিকাশ, খরচের ভাউচার,বই ও ক্যাশবই করার ব্যবস্থা করা।
০৫. প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক, আর্থিক, ও পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ন্ত্রণ করা।
০৬. প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ করা, এবং তাদের বেতন ভাতা নির্ধারণ করা, সব প্রশাসনিক, ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প হাতে নেয়া, বাস্তবায়ন এবং কর্মচারীদের দায়িত্ব নির্ধারণ করা।
০৭. ধারা -৯ অনুযায়ী কোন সদস্যদের সদস্যপদ বাতিল/ সংরক্ষণ করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করা।
০৮. সামগ্রিকভাবে কার্যনির্বাহী পরিষদের ও ব্যক্তিগতভাবে এর সদস্যদের দায়িত্ব হচ্ছে নিজেদের তত্ত¡াবধান, সভাপতির তত্ত¡াবধান এবং প্রাতিষ্ঠানিক নীতির অনুসৃতির তত্ত¡াবধান।
প্রতিষ্ঠানের কর্মসূচি বাস্তবায়নের তত্ত¡াবধান ও পর্যবেক্ষণ সংবিধান অনুসৃতির তত্ত¡াবধান, প্রতিষ্ঠানের যে কোন ত্র“টি দূর করা, প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কাজের মৌলিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, সভাপতিকে পরামর্শ দান, নিঃসঙ্কোচে মত প্রকাশ এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের অধিবেশনে নিয়মিত যোগদান অথবা অভিমত পাঠানো।
১১.৬ : কার্যনির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা
(ক) সভাপতি
০১. সভাপতি প্রতিষ্ঠানের নিয়মতান্ত্রিক সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে থাকবেন।
০২. সাধারণ পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২ (দুই) বৎসরের জন্য সভাপতি নিযুক্ত হবেন। প্রত্যেক সাধারণ সভায় এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সভাপতি সভাপতিত্ব করবেন। সভার সিদ্ধান্তের পক্ষে বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোট পড়লে সভাপতি রায় নির্ধারণী ভোট প্রদান করতে পারবেন।
০৩. প্রতিষ্ঠানের যে কোন ধরণের সভা পরিচালনার কাজে সভাপতির পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে।
০৪. প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে সব সময় নির্বাহীসদস্যদের সাথে যোগাযোগ, আলাপ আলোচনা, পরামর্শ দান ও সহযোগিতা করবেন।
০৫. সভাপতি সভা চলাকালীন সময়ে হট্টগোল সৃষ্টি হলে শৃঙ্খলা ফিরে না আসা পর্যন্ত অনির্দিষ্ট কালের জন্য সভা মূলতবী ঘোষণা করতে পারবেন।
০৬. সভাপতি কর্মসূচীর সর্বক্ষেত্রে অবহিত থাকবেন এবং সব ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নেবেন।
০৭. সভাপতি পরামর্শক্রমে কোষাধক্ষ প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয়-ব্যায়ের হিসাব রাখবেন।
০৮. সভাপতি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করবেন এবং অনুমোদন দিবেন। প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দলিলপত্র সংরক্ষণ করবেন। প্রয়োজনে যে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
০৯. সভাপতি প্রতিষ্ঠানের অধীনে বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি, বাজেট তৈরি প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নে সহায়তা করবেন।
১০. সভাপতি প্রতিষ্ঠানের অর্থসংক্রান্ত সব কাজের মজুরি প্রদান, বিল ভাউচার অনুমোদন ও পাস করবেন।
১১. সভাপতি বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের নিয়োগ, কর্মচুক্তি, সাময়িক বরখাস্ত, বরখাস্ত ও ছাটাইয়ের চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হবেন।
১২. সভাপতি প্রতিষ্ঠানের তহবিল সংগ্রহের জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, দেশী ও বিদেশী দাতাসংস্থা, ব্যাংক, ফাউন্ডেশন ও আন্তজাতিক সংস্থা ইত্যাদির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির হওয়ার ক্ষমতা রাখবেন।
১৩. সভাপতি প্রতিষ্ঠানের কর্মসূচী বাস্তবায়ন ও মনিটরিয়ের জন্য দায়িত্ব পালন ও যোগাযোগ রক্ষা করবেন। সংস্থার কর্মসূচীর বাস্তবায়নে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ করা সম্ভব না হলে তিনি প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন।
১৪. ব্যাংকে লেনদেনের ক্ষেত্রে চেকে অথবা ভাউচারে অবশ্যই সভাপতির স্বাক্ষর থাকতে হবে।
১৫. যদি কোন কারনে সভাপতির পদ স্থায়ীভাবে শূন্য হয়, তাহলে কার্যনির্বাহী পরিষদ, পরিষদের মধ্য থেকে এক জনকে সাময়িকভাবে সভাপতি নির্বাচিত করে যথাশিগগির সম্ভব সাধারণ সদস্যদের ভোটে সেশনের অবশিষ্ট সময়ের জন্য সভাপতি নির্বচনের ব্যবস্থা করবেন। যদি সভাপতি সাময়িকভাবে ছুটি নিতে বাধ্য হন, তাহলে তিনি কার্য নির্বহী পরিষদের সাথে পরামর্শ করে পরিষদের মধ্যথেকে তিন মাসের জন্য অস্থায়ী সভাপতি নিযুক্ত করতে পারবেন।
১৬. সভাপতি বা অস্থায়ী সভাপতি নির্বচিত বা নিযুক্ত হবার পর কার্যভার গ্রহণের আগে সাধারণ সভায় অথবা কার্যনির্বাহী পরিষদেন অধিবেশনে সংবিধানের পরিশিষ্ঠে বার্তা সভাপতির শপথ নেবেন।
১৭. সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য হাসিল, পরিচালনা, কর্মসূচীর বাস্তবায়ন এবং সর্বোৎকৃষ্ট সাংগঠনিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণ করা ।
১৮. সভাপতি সবসময় কার্যনির্বাহী পরিষদের পরামর্শ অনুসারে কাজ করবেন। কিন্তু দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত নেই এমন কোন বিষয় জরুরি ও সাময়িক পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজন হলে তিনি এ নিয়মের অধীন থাকবেন না।
১৯. সংবিধানের বিভিন্ন ধারায় সভাপতিকে যে সব ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, তিনি নিজে অথবা সাধারণ সদস্যদের মাধ্যমে সেগুলো প্রয়োগ করতে পারবেন।

(খ) সহ সভাপতি
সহ সভাপতি সভপতির সব কাজে সার্বিক সহযোগিতা করবেন এবং সভপতির অনুপস্থিতিতে তিনি সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
(গ) সাধারণ সম্পাদক /সদস্যসচিব
০১. সাধারণ সম্পাদক সভাপতির সাথে পরামর্শ করে কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের সভা আহবান করবেন।
০২. সভার যাবতীয় কার্যক্রম সাধারণ সম্পাদক নির্ধারণ করবেন।
০৩. প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের পরিপন্থী কোন ধরনের সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন না বা ধ্বংসাত্বক কোন কাজে অংশ নিতে পারবেন না
০৪. সাধারণ সম্পাদক প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরি করবেন। এই প্রতিবেদন কার্যনির্বাহী পরিষদ এবং সাধারণ পরিষদের সভায় উপস্থাপন করবেন।
০৫. প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে পরিচালককে সহযোগিতা দেবেন।
০৬. সভাপতি কার্যনির্বাহী পরিষদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ সস্পাদন করবেন।
০৭. সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ, পাঠ, সভাপতির সিদ্ধান্তবইতে অনুমোদন নেবেন।
০৮. সাধারণ সম্পাদক ব্যাংকের চেক, ভাউচার, ও অর্থিক লেনদেনে সভাপতির যুগ্ম স্বাক্ষর করবেন।
০৯. সাধারণ সম্পাদক সভাপতির পরামর্শক্রমে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কাগজপত্র / রেকর্ড / রেজিস্টার সংরক্ষণ করবেন।

(ঘ) কোষাধ্যক্ষ
০১. কোষাধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানের ও কর্মসূচীর যাবতীয় আমানত এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখবেন। তিনি নিয়মিত সদস্যদের কাছে থেকে চাঁদা সংগ্রহ করবেন এবং প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্রের হিসাব রাখবেন।
০২. প্রতিষ্ঠানের টাকা নির্দিষ্ট তফসিলী ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানের নামে জমা রাখবেন।
০৩. সভাপতির সাথে যুগ্ম স্বাক্ষর দিয়ে অর্থ লেনদেনের স্বাক্ষর দাতা থাকবেন।
০৪. কোষাধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানের চেকবই সংরক্ষণ, হিসাব নিকাশের বিবরণী তৈরি ও হিসাব সংক্রান্ত কাগজ পত্র রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।
০৫. কর্মসূচীর প্রয়োজনে প্রতি মাসে যে টাকা খরচ হবে, তা প্রত্যেক কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় আলাপ আলোচনা করবেন। একটি প্রাককলন তৈরি করে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলনের জন্য সভাপতির অনুমোদন নেবেন। সাথে সাথে পরবর্তী মাসের খরচের টাকা প্রাককলন সভাপতির কাছে দাখিল করবেন।
০৬. কোষাধ্যক্ষ প্রয়োজনে সভাপতির অনুমোদনক্রমে একজন হিসাব রক্ষকের সাহযোগিতা নিতে পারবেন।

(ঙ) প্রচার সম্পাদক :
সংগঠনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও বিভিন্ন সময়ে বিশেষ কার্যক্রম সদস্য সহ বিভিন্ন আগ্রহী ব্যক্তিদের অবহিত করবেন। সভাপতি সা: সম্পাদকের পরামর্শে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার সংগে যোগাযোগ করবেন।

(চ) সমাজ কল্যাণ সম্পাদক :
সমাজ কল্যাণ বিষয়ক কার্যক্রম, যুব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সহ বিভিন্ন সরকারী কার্যক্রমে সহযোগিতার নিমিত্তে সভাপতি ও সা: সম্পাদকের পরামর্শক্রমে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। কার্যকারী কমিটি ও বিভিন্ন সভার রেজুলেশন লিখবেন।

(ছ) দপ্তর সম্পাদক :
কমিটির সিদ্বান্ত মতে অফিস ব্যবস্থাপনার সর্বিক দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা-১২ : সভার নিয়মাবলী
এই প্রতিষ্ঠানে ০৭ (সাত) ধরনের সভা থাকবে :
১. সাধারণ সভা, ২. কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা, ৩. উপদেষ্টা পরিষদের সভা, ৪. জরুরি সভা, ৫. তলবী সভা, ৬. মূলতবী সভা।
০১. সাধারণ সভা :
সাধারণ সভা প্রতি এক বছর পর পর অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ (পনের) দিনের নোটিসে এবং মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।
০২. কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা
বছরে কার্যনির্বাহী পরিষদের চারটি সাধারণ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ, কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা প্রতি তিন মাস পর পর করতে হবে। প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের প্রয়োজনে এর বেশি সভাও অনুষ্ঠিত হতে পারে। ৩ (তিন) দিন আগে সভার তারিখ, সময়, স্থান ও অ্যাজেন্ডাসহ দিতে হবে।
সভাপতি প্রয়োজনে অথবা কার্যনির্র্বাহী পরিষদের এক পঞ্চমাংশ সদস্য অথবা প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের এক-দশমাংশ সভাপতির কাছে লিখিতভাবে দাবি করলে কার্যনির্বাহী পরিষদের অধিবেশনে পেশ করা দাবি পেশ করার দিন থেকে সাত দিনের মধ্যেই অধিবেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
০৩. কোরাম :
কার্যনির্বাহী পরিষদের অধিবেশনে পরিষদের মোট সদস্যসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত হলেই কোরাম হবে। কিন্তু কোরাম না হওয়ার কারণে কোন অধিবেশন মুলতবী হলে পরবর্তী অধিবেশনের জন্য কোরামের প্রয়োজন হবে না। কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতানুযায়ী গৃহীত হবে।
০৪. যদি কোনো ব্যাপারে সভাপতি ও কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে মতবিরোধী দেখা দেয় এবং যদি একে অপরের রায় মেনে নিতে না পারেন, তাহলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতানুযায়ী নির্ধারিত হবে।
০৫. উপদেষ্টা পরিষদের সভা :
বছরে দুইবার অর্থৎ ছয় মাস পর পর উপদেষ্টা পরিষদের সভা অনুষ্টিত হবে। উপদেষ্ঠা পরিষদের সভায় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত থাকবেন। উপদেষ্টা পরিষদের সভা কমপক্ষে দশ জনে কোরাম হবে।
০৬. জরুরি সভা :
০১. সাধারণ পরিষদের সভা তিন দিনের নোটিশ আহŸান করা যাবে। দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হবে।
০২. কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা এক দিন (২৪ ঘণ্টা) বা তদূর্ধ সময়ের নোটিশে আহŸান করা যাবে। মোট সদস্যের অর্ধেক সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম হবে।
০৭. তলবী সভা
০১. ন্যূনতম দুই তৃতীয়াংশের সদস্যের উপস্থিতিতে বিশেষ সাধারণ সভার কর্মসূচী (অ্যাজেন্ডা) বা উদ্দেশ্য উল্লেখ করে স্বাক্ষরদান করে তলবী সভার আবেদন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি /সাধারণ সম্পাদকের কাছে জমা দিতে হবে।
০২. সভাপতি/ সাধারণ সম্পদা তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে তলবী সভার আহবান করবে। ১৮ (আঠার) দিনপরে ১৫ (পনের) দিনের নেটিশে সভা আহŸান করা যাবে । তবে তলবী সভা প্রতিষ্ঠানের অফিসে ডাকতে হবে এবং দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হবে।
০৮. মূলতবী সভা
০১. সাধারণ সভা মূলতবী হবার পরবর্তী সর্ব্বোচ্য ত্রিশ দিনের বিলম্ব করা যাবে। অন্যথায় সভা স্থগিত করতে হবে।
০২. সাধারণ সভা কোরামের অভাবে স্থগিত হলে ত্রিশ দিনের মধ্যে পরবর্তী সভার নোটিশ দেয়া হবে। ঐ স্থগিত সাধারণ সভাতে কোরাম না হলে যতজন সদস্য উপস্থিত থাকবেন, তাদের নিয়েই সভা অনুষ্ঠিত হবে ও তাদের মতামত/ সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
০৩. কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা দুইবার কোরামের অভাবে স্থগিত হলে দ্বিতীয় বার উপস্থিত সদস্যদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। সাধারণ সদস্য হতে কো-অপ্ট করে কার্যনির্বাহী পরিষদের জন্য সদস্যপদ অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
(৭) বিশেষ সাধারণ সভা
বিশেষ কারণে সাধারণ সভা সাত দিনের নোটিশে আহŸান করা যাবে। তবে এ সভায় বিশেষ অ্যাজেন্ডা ছাড়া অন্যকোনো বিষয়ে আলোচনা/ সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। বিশেষ এজেন্ডার উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ করে যথারীতি নোটিশ দিতে হবে। দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম হবে।
ধারা-১৩ : অনাস্থা প্রস্তাব
কোনো সময়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করলে তার বিরুদ্ধে কার্যনির্বাহী পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের মাধ্যমে অনাস্থা প্রস্তাব আনা যাবে।
ধারা -১৪ : প্রতিষ্ঠানের শাখা
নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ঢাকা জেলার বাইরে প্রতিষ্ঠানের শাখা কার্যালয় খোলা যাবে।
(১) শাখা পরিষদ গঠন ও কাঠামো
প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যে এলাকায় শাখা খোলা হবে সে এলাকা থেকে সদস্য নিয়ে শাখা পরিষদ গঠন করতে পারবে। উক্ত শাখাপরিষদ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধক্ষ ও দুই জন সদস্য সমন্বয়ে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট হবে। শাখা পরিষদ কেন্দ্রেীয় পরিষদের অনুমোদিত নিয়ন্ত্রিত হারে এবং শাখা সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে নির্বাচিত এবং পরিচালিত হবে।
(২) শাখা সমূহের দায়িত্ব কর্তব্য ও সুবিধা
সাধারণ পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় পরিষদে গৃহীত কার্যাদি শাখা পরিষদ বাস্তবায়ন করবে। শাখা পরিষদ তাদের সব কাজের জন্য শাখার সাধারণ পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় পরিষদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। কেন্দ্রীয় পরিষদের অনুমোদন ছাড়া শাখাপরিষদ অতিরঞ্জিত কোনো কার্য সম্পন্ন করতে পারবে না। কেন্দ্রীয় পরিষদের দেয়া সুযোগ শাখাপরিষদ ভোগ করবে।
(৩) শাখা সমূহের কার্যক্রম স্থগিত
কেন্দ্রীয় পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে কোন সময় শাখার কার্যক্রম স্থগিত করা যাবে। এ ব্যাপারে শাখাপরিষদের কোনো ধরনের দায়িত্ব থাকবে না। শাখাপরিষদ স্থগিত করার বিষয়ের সমস্ত দায়-দায়িত্ব কেন্দ্রীয় পরিষদ বহন করবে। কেন্দ্রীয় পরিষদ কোনো শাখার কার্যক্রম স্থগিত করলে উল্লিখিত শাখা স্থগিতের কারণ উল্লেখ করে ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হবে।
(৪) কেন্দ্রীয় অফিস কর্তৃক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি
শাখা সমূহের জন্য কেন্দ্রীয় পরিষদের দেয়া কার্যক্রমগুলো কেন্দ্রীয় পরিষদের বরাদ্দ দেয়া বাজেট অনুযায়ী সম্পন্ন করতে শাখা পরিষদ বাধ্য থাকবে।
(৫) শাখা কমিটির পদাধিকার :
শাখা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদাধিকার বলে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ পরিষদের সদস্য হবেন।

পঞ্চম অধ্যায়

ধারা-১৫ : নির্বাচন
(১) নির্বাচন কমিশন
ক. নির্বাচন পরিচালনার জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অংশ নেবেন না বা প্রতিষ্ঠানের সদস্য নন এমন ছয় জনকে নিয়ে ছয় সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে গঠিত হবে।
খ. নির্বাচন কমিশনের মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, দুই জন সহকারী নির্বাচন কমিশনার, একজন প্রিজাইডিং অফিসার ও দুই জন পোলিং অফিসার হবেন। প্রতিষ্ঠানের সব পর্যায়ের নির্বাচন পদ্ধতি কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্ধারণ করবেন।
(২) নির্বাচন পদ্ধতি
ক. সাধারণ যোগ্যতা : এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য বা অন্য কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি নির্বাচনের সময় সংবিধানের প্রতি আনুগত্য, সততা, নিষ্ঠা, আদর্শের সঠিক জ্ঞানের পরিসর, সাংগঠনিক প্রজ্ঞা, শৃঙ্খলা বিধানের যোগ্যতা, মানসিক ভারসাম্য, উদ্ভাবনী ও বিশ্লেষণী শক্তি, কর্মের দৃঢ়তা, অনঢ় মনোবল, আমানতদারী এবং পদের প্রতি লোভহীনতার দিকে অবশ্যই নজর রাখতে হবে।
সাধারণ পরিষদ : সাধারণ পরিষদের নির্বাচন প্রতি বৎসর অর্থাৎ এক বছর পর পর অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সদস্যগণ সবাই সাধারণ পরিষদ নির্বাচনের যোগ্যতা রাখেন।
(চ) সাধারণ নিয়মাবলী
০১. এক ব্যক্তি একটি পদে একটি ভোট দেবেন।
০২. সাধারণ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে নির্বাচনের দিন, তারিখ ও সময় নির্ধারিত হবে।
০৩. নির্বাচনের ত্রিশ দিন আগে প্রতিষ্ঠান বৈধ ভোটার তালিকা নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে ভোটারদের অবহিত করা হবে।
০৪. বৈধ ভোটার তারাই হবেন, যেসব সদস্য প্রতিষ্ঠানের চাঁদা ও বকেয়া পরিশোধ করেছেন।
০৫. প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণখেলাপী, দÐ বা সাজাপ্রাপ্ত বহিস্কৃত কেউ নির্বাচনে অংশনিতে পারবেন না।
০৬. প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরাই কেবল মাত্র কেন্দ্রীয় পরিষদের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সদস্য নির্বাচনে অংশনিতে পারবেন।
০৭. চূড়ান্ত ভোটার তালিকা কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় নির্ধারিত হবে। নির্ধারিত তারিখে অবশ্যই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
০৮. নির্বাচন সরাসরি হাত উঠানো বা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে।
০৯. গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচন হলে যদি কোন পদে সমান সংখ্যক ভোট পড়ে, তবে প্রিজাইডিং অফিসার লটারির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করবেন।
ধারা-১৬ : প্রতিষ্ঠানের সাময়িক স্থগিতাদেশ
পরিবর্তিত যে কোন প্রতিক‚ল পরিস্থিতিতে সভাপতি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করতে পারবেন।

ধারা-১৭ : অর্থ ব্যবস্থা
০১. প্রতিষ্ঠানের তহবিলের উৎস
১. সংগঠনের সদস্যদের নিয়মিত মাসিক চাঁদা, এককালীন অনুদান
২. অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের দান ও আর্থিক এবং বৈষয়িক সহযোগিতা
৩. বিশিষ্টজন এবং দাতা সংস্থার অনুদান
৪. যাকাতের অর্থ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
বিঃ দ্রঃ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত কোন চাঁদা, অনুদান, সহযোগীতা ইত্যাদি গ্রহণ করা যাবেনা।

(২) ব্যয় হিসাব
খাত ঃ সমাজকল্যাণমূলক / উদ্দেশ্যে বর্ণিত কর্মকান্ড পরিচালনায় অর্থ ব্যয় করা যাবে।
নীতিমালা ঃ
ক. সংগঠনের নিয়মিত মাসিক সভা/জরুরী সভায় (কোরাম পূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে) মোট সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশ সমর্থনে ব্যয় এর খাত ও প্রয়োজনীয় অর্থ নির্ধারিত হবে।
খ. সকল ব্যয় স্বচ্ছ ও সুনির্দিষ্ট হতে হবে যা কার্যকরী কমিটি কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।
গ. বার্ষিক আয় ও ব্যয় চূড়ান্ত হিসাব কমিটি কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।
ঘ. অর্থবছরের স্থিতির এক তৃতীয়াংশ রিজার্ভ ফান্ড হিসাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
ঙ. কোন সদস্যের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যায় ধার বা বিনিয়োগ প্রদান করা যাবে না।

(৩) প্রতিষ্ঠানের অডিট ব্যবস্থা
প্রতিষ্ঠানে দুই ধরণের অডিট ব্যবস্থা থাকবে। যথা নিজস্ব অডিট ব্যবস্থা এবং নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের নিয়োজিত অনুমোদিত অডিট সংস্থা।
ক. নিজস্ব অডিট ব্যবস্থা
কেন্দ্রীয় সভাপতি কার্যনির্বাহী পরিষদের সাথে পরামর্শ করে অডিট কমিটি গঠন করবেন। অডিট কমিটি বছরে দুই বার কেন্দ্র ও শাখা অডিট করবে। অডিট রিপোর্ট কার্যনির্বাহী পরিষদে পেশ করা হবে।
খ. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের নিয়োগ দেয়া অনুমোদিত অডিট সংস্থা
সংস্থার সব হিসাব-নিকাশ নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের নিয়োগ দেয়া অনুমোদিত কিংবা যে কোন নিবন্ধিত হিসাব সংস্থা (অডিট ফার্ম) যা হিসাব পরীক্ষা কমিটি দিয়ে নিরীক্ষা করাতে হবে। এ ধরণের হিসাব নিরীক্ষা বার্ষিক ভিত্তিতে হবে। এছাড়া নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ নিয়োজিত যে কোন কর্মকর্তাও হিসাব নিরীক্ষা করতে পারবেন। নিরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ বরাবরে পাঠাতে হবে।
(৪) প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকিং হিসাব ব্যবস্থা :
০১. অর্থ সম্পাদক সকল চাঁদা দান/অনুদান বা ব্যাংক জমা শ্লিপ গ্রহণ করে সকলকে গ্রহণ সিল দেওয়া/ পাকা রশিদ দিবেন এবং আদায় রেজিষ্টারে প্রদান কারীর স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন।
০২. অর্থ সম্পাদক আয়-ব্যয় খরচ ভাউচার যথাসময় সভাপতি ও সা: সম্পাদককে অবহিত করে তাদের অনুমোদন গ্রহণ করবেন ও যাবতীয় নথি সংরক্ষণ করবেন।
০৩. প্রতিষ্ঠানটি বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে ১৯৭৮ সালের ফরেন ডোনেশন অধ্যাদেশের বিধি-বিধান অনুসরণ করবে।
০৪. প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব এবং অথনৈতিক কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য যে কোন ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় থাকবে যা একটি যৌথ হিসাবে বা সংগঠনের নামে জমা থাকবে।
০৫. এ হিসাব সভাপতির স্বাক্ষরসহ সাধারণ সম্পাদক অথবা কোষাধ্যক্ষ এই তিন জনের যে কোন দুই জনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।
০৬. জরুরি অবস্থায় সভাপতির একক স্বাক্ষরেও হিসাব পরিচালিত হতে পারবে এবং এমন অবস্থায় সভাপতিকে কার্যনির্বাহী পরিষদে জবাবদিহি করতে হবে।
০৭. প্রতিষ্ঠানের নামে সংগৃহীত অর্থ কোন অবস্থাতেই হাতে রাখা যাবে না। অর্থ পাওয়ার সাথে সাথে নগদ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে হবে। জরুরি ব্যয় নির্বাহের জন্য পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদকের হাতে রাখা যাবে; এ অর্থের খরচের হিসাব কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন নিতে হবে।
০৮. প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কাজ পরিচালনার জন্য সাধারণ সম্পাদক সর্ব্বোচ এক হাজার টাকার ব্যয় অনুমোদন করতে পারবেন।
(৫) প্রতিষ্ঠানের তহবিল বাড়ানো
প্রতিষ্ঠানের তহবিল বাড়াতে যে কোন প্রকল্প/কর্মসূচী অনুষ্ঠান নিবন্ধন র্কৃপক্ষের অনুমতিসাপেক্ষে পরিচালনা করা যাবে এবং গৃহীত প্রকল্প/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান শেষে আয় ও ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব নিবন্ধ কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে।
ধারা-১৮ : প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিধি
০১. প্রতিষ্ঠানের কার্য পরিচালনা বা কর্মসূচী বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনীয়সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করতে পারবেন।
০২. কার্যনির্বাহী পরিষদ সাধারণ পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের মধ্য থেকে কম পক্ষে পাঁচ জন সদস্য নিয়ে নিয়োগ বোর্ড গঠন করতে হবে। পদাধিকার বলে সভাপতি নিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হবেন।
০৩. কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রণীত নিয়োগবিধি ও বেতন-কাঠামো অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান/ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করা হবে ও বেতন ভাতাদি নির্ধারণ করা হবে।
০৪. প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে ভলেনটারী সার্ভিস বা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করা যেতে পারে।
০৫. নিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

ধারা-১৯ :
০১. সংবিধানের সংশোধন :
এ সংবিধানের কোনো পরিবর্তন/সংশোধন/ পরিবর্ধন সরাসরি সদস্যদের সাধারণ সভায় সব সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে করা যাবে। কিন্তুু এ পরিবর্তন, সংশোধন ও পরিবর্ধনের নোটিশ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবার দুই সপ্তাহ আগে কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে পৌঁছাতে হবে। এ সংবিধানের কোন পরিবর্তন, সংশোধন, পরিবর্ধন কার্যনির্বাহী পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটেও করা যাবে। কিন্তু এরূপ কোনো সংশোধন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন গৃহীত হবার দুই মাসের মধ্যেই সমস্ত সদস্যদের অধিকাংশের ভোটে তা অনুমোদান করে নিতে হবে।
০২. ব্যাখ্যা : এ সংবিধানের কোন ধারা বা বিষয়ের ব্যাখ্যার ব্যাপারে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
০৩. আইন অনুসরণ : এই গঠনতন্ত্রে যা কিছুই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংগঠনটি ১৯৬১ সালের ৪৬ নম্বর অধ্যাদেশের আওতায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। অন্যান্য কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে।
০৪. জটিলতা নিরসনে প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা:
এ সংবিধানের কোন বিধানের অস্পষ্টতার কারণে এটি কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোন জটিলতা বা সমস্যা দেখা দিলে প্রতিষ্ঠান বা কার্যনির্বাহী পরিষদ এই সংবিধানের বিধানাবলীর সাথে সজ্ঞতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, সংশ্লিষ্ট বিধানের স্পষ্টকরণ বা ব্যাখ্যা দিয়ে এ ব্যাপারে করণীয় সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা দিতে পারবেন।
০৫. সংবিধান কার্যকর বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব :
সংগঠন এই সংবিধান কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবেন এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনে নির্দেশনা জারি করতে পারবেন।
০৬. বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা :
এই সংবিধানের উদ্দেশ্য পূরনে সংগঠন সাংগঠনিক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মধ্যমে বিধিমালা প্রণয়ন করতে পারবেন।
০৭. ইংরেজিতে অনূদিত সংস্করণ প্রকাশ :
০১. এই সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর সংগঠন, সাংগঠনিক গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়ে এ সংবিধানের বাংলা পাঠের ইংরেজি একটি নির্ভরযোগ্য সংস্করণ (অঁঃযবহঃরপ ঊহমষরংয ঠরৎংড়হ) প্রকাশ করতে পারবেন।
০২. বাংলা সংস্করণ ও ইংরেজি সংস্করণের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা সংস্করণ প্রাধান্য পাবে।
০৮. বিবিধ :
০১. প্রতি ইংরেজি বর্ষের প্রথম মাস জানুয়ারি থেকে এ সংগঠনের সাংগঠনিক বছর শুরু হবে।
০২. এ প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট যেসব ছাত্রের শিক্ষাজীবন / যে কোন দায়িত্বের মেয়াদ সমাপ্ত হয়ে যাবে, তাদেরকে নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানের একটি ‘বন্ধুসভা’ গঠিত হবে।

ধারা-২০ : প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তি সাধন
যদি কোন সুনির্দিষ্ট কারণে প্রতিষ্ঠানের অবসান বা বিলুপ্তি ঘটাতে হয়, তবে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ পরিষদ সদস্যদের তিন পঞ্চমাংশ সদস্যের অনুমোদনক্রমে নির্ধারিত ফরমে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের বরাবরে আবেদন করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের সমস্ত দায় দায়িত্ব ও দেনা পরিশোধের পরে যদি কোন সম্পদ অবশিষ্ট থাকে, তা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকবর্গ ইচ্ছা করলে যে কোন সমাজসেবামূলক দেশীয় সংস্থা অথবা নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারবেন। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

নোটিশ
  • XXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXRead more... 10 / 09 /2024
  • আগামিকাল ০৩-০৭-২০২০ ইং রোজ শুক্রবার জরুরি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছেRead more... 07 / 06 /2020
this is callernder
June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  
Translate »